Mukti Health

ল্যাব টেস্ট · কিডনি

সিরাম পটাশিয়াম (K)

পটাশিয়ামের মাত্রা, হার্ট ও পেশি

অন্য নাম: Serum potassium, Potassium Level (K), K
  • রক্তের নমুনা
  • খালি পেটে থাকতে হবে না
  • রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে
  • বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ

এই টেস্ট কিসের জন্য

পটাশিয়ামের মাত্রা, হার্ট ও পেশি

পটাশিয়াম একটি খনিজ, যা হার্ট, পেশি ও স্নায়ুর ঠিকমতো কাজ করার জন্য দরকার। কিডনি রক্তের পটাশিয়ামকে একটি সংকীর্ণ সীমার মধ্যে রাখে, আর মাত্রা খুব বেশি বা খুব কম হলে হৃৎস্পন্দনে প্রভাব পড়তে পারে। এই টেস্টে আপনার রক্তের পটাশিয়াম মাপা হয়; কিডনির রোগে এবং পটাশিয়ামের ওপর প্রভাব ফেলে এমন ওষুধ যাঁরা খান, তাঁদের এটি প্রায়ই দেখা হয়।

ডাক্তার কেন এটি করাতে বলতে পারেন

  • যাঁরা ব্লাড প্রেশারের ওষুধ, প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ (ডাইইউরেটিক) বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান
  • কিডনির রোগীদের দেখতে, কারণ তাঁদের শরীরে পটাশিয়াম জমে যেতে পারে
  • বমি বা ডায়রিয়ার পর, কারণ এতে শরীর থেকে পটাশিয়াম বেরিয়ে যেতে পারে
  • পেশির দুর্বলতা, খিঁচ ধরা বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের কারণ খুঁজতে
  • ডায়াবেটিসে বা অসুস্থতার সময় নিয়মিত ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষার অংশ হিসেবে

কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন

খালি পেটে: লাগবে না.

পটাশিয়াম খালি পেটে না থেকেও দেখা যায়। ডাক্তার অন্য কিছু না বললে নিয়মিত ওষুধ খেতে থাকুন, আর পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা লবণের বিকল্প ব্যবহার করলে ডাক্তারকে জানান। রক্ত নেওয়ার সময় হাত ঢিলা রাখুন, বারবার মুঠো শক্ত করবেন না, কারণ এতে পটাশিয়াম ভুলভাবে বেশি আসতে পারে।

বাড়িতে

নমুনা
রক্তের নমুনা
যেভাবে কাজ করে
বাড়িতে এসে সংগ্রাহক আপনার হাতের শিরা থেকে অল্প রক্তের নমুনা নেন। নমুনা জোরে নাড়াচাড়া করলে বা ফেলে রাখলে রক্তকণিকা থেকে পটাশিয়াম বেরিয়ে আসতে পারে; অপ্রত্যাশিত ফলাফল এলে কখনো কখনো টেস্টটি আবার করার এটি একটি কারণ।
রিপোর্ট
২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে (নমুনা সংগ্রহের পর).

ফলাফলের মানে কী হতে পারে

পটাশিয়াম বেশি হওয়ার (হাইপারক্যালেমিয়া) কারণ হতে পারে কিডনির রোগ, ব্লাড প্রেশারের কিছু ওষুধ, প্রস্রাব বাড়ানোর কিছু ওষুধ, পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস; নমুনার ভেতরে রক্তকণিকা ভেঙে গেলেও এটি ভুলভাবে বেশি আসতে পারে। পটাশিয়াম কম হওয়ার (হাইপোক্যালেমিয়া) কারণ প্রায়ই বমি, ডায়রিয়া বা প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ। মাত্রা বেশি বা কম, দুই অবস্থাতেই পেশির দুর্বলতা এবং হার্টের ছন্দে বিপজ্জনক পরিবর্তন হতে পারে। ডাক্তার ফলাফল ব্যাখ্যা করবেন এবং টেস্টটি আবার করাতে পারেন বা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

যা যা আছে

একটি টেস্ট: সিরাম পটাশিয়াম (K); রক্তের নমুনা।

অনেকে যা জানতে চান

পটাশিয়ামের ফলাফল কি ভুলভাবে বেশি আসতে পারে?

হ্যাঁ। রক্ত নেওয়ার সময় বা পরে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে গেলে, অথবা বারবার মুঠো শক্ত করলে পটাশিয়াম বেরিয়ে এসে ফলাফল ভুলভাবে বেশি দেখাতে পারে। ডাক্তার টেস্টটি আবার করতে বলতে পারেন।

কোন কোন ওষুধ পটাশিয়ামে প্রভাব ফেলতে পারে?

ব্লাড প্রেশারের কিছু ওষুধ, যেমন ACE ইনহিবিটর, প্রস্রাব বাড়ানোর কিছু ওষুধ, পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট ও আরও কিছু ওষুধ পটাশিয়াম বাড়াতে বা কমাতে পারে। ডাক্তারের সঙ্গে কথা না বলে কোনো ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না।

পটাশিয়াম কমে গেলে কী কী উপসর্গ হয়?

পটাশিয়াম সামান্য কমলে প্রায়ই কোনো উপসর্গ হয় না। আরও কমে গেলে দুর্বলতা, পেশিতে খিঁচ ধরা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হতে পারে।

কিডনির রোগে পটাশিয়াম কেন দেখা হয়?

সুস্থ কিডনি বাড়তি পটাশিয়াম বের করে দেয়। কিডনির কাজ কমে গেলে পটাশিয়াম জমে যেতে পারে, তাই ডাক্তাররা নিয়মিত এটি দেখেন।

পটাশিয়াম টেস্ট-এর খরচ কত?

Mukti Health-এ দাম ৳১৯০, আর নমুনা সংগ্রহ করা হয় আপনার বাড়ি থেকে। Mukti Health অ্যাপে বুকিং নিশ্চিত করার আগে দাম আবার দেখতে পাবেন।

বাড়িতে বসে কি পটাশিয়াম টেস্ট করানো যায়?

হ্যাঁ। Mukti Health অ্যাপে বুক করুন; একজন প্রশিক্ষিত নমুনা সংগ্রাহক রক্তের নমুনা নিতে আপনার বাড়িতে আসবেন। আপনাকে ল্যাবে যেতে হবে না।

পটাশিয়াম-এর রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?

সাধারণত নমুনা সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়।