Mukti Health

ল্যাব টেস্ট · কিডনি

কিডনি ফাংশন টেস্ট (RFT)

কিডনির কার্যক্ষমতা

অন্য নাম: Kidney function test, Kidney function test (KFT), Kidney Function Test (KFT), KFT
  • রক্তের নমুনা
  • খালি পেটে থাকতে হবে না
  • রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে
  • বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ

এই টেস্ট কিসের জন্য

কিডনির কার্যক্ষমতা

কিডনি ফাংশন টেস্ট, যাকে রেনাল ফাংশন টেস্ট (RFT)-ও বলা হয়, কয়েকটি রক্তের টেস্টের সমষ্টি। এটি দেখায় আপনার কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য কতটা ভালোভাবে ছেঁকে বের করছে। এতে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন মাপা হয়, যা কিডনি ভালো কাজ না করলে রক্তে জমে; সঙ্গে মাপা হয় ইউরিক অ্যাসিড এবং সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো ইলেকট্রোলাইট, যেগুলোর ভারসাম্য কিডনি ঠিক রাখে। এটি ডাক্তারকে কিডনির সমস্যা শুরুতেই ধরতে এবং সময়ের সঙ্গে তা নজরে রাখতে সাহায্য করে।

ডাক্তার কেন এটি করাতে বলতে পারেন

  • ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে; কিডনির রোগের সবচেয়ে সাধারণ দুটি কারণ এগুলোই
  • পা, মুখ বা চোখের চারপাশ ফুলে গেলে
  • স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বা অনেক কম প্রস্রাব হলে
  • কিডনির ওপর প্রভাব ফেলে এমন ওষুধ দিয়ে চিকিৎসার আগে ও চিকিৎসা চলাকালে
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে

কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন

খালি পেটে: লাগবে না.

খালি পেটে থাকার ব্যাপার নেই। স্বাভাবিক সময়ে যেমন পানি খান তেমনই খান, কারণ পানিশূন্যতা হলে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যেতে পারে। ডাক্তার অন্য কিছু না বললে ব্লাড প্রেশারের ট্যাবলেটসহ নিয়মিত ওষুধ খেতে থাকুন।

বাড়িতে

নমুনা
রক্তের নমুনা
যেভাবে কাজ করে
নমুনা সংগ্রাহক আপনার বাড়িতে হাতের শিরা থেকে অল্প রক্ত নেন। কিডনি প্যানেলের সব টেস্ট সেই এক নমুনা থেকেই মাপা হয়, আর রক্ত নিতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগে।
রিপোর্ট
২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে (নমুনা সংগ্রহের পর).

ফলাফলের মানে কী হতে পারে

রিপোর্টে প্রতিটি ফলাফলের পাশে ল্যাবের স্বাভাবিক সীমা থাকে, আর আনুমানিক জিএফআর (eGFR)-ও থাকতে পারে। ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন বেশি হলে ধারণা করা হয় কিডনি কম ভালোভাবে ছাঁকছে; এটি সাময়িক হতে পারে, যেমন পানিশূন্যতা থেকে, অথবা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। সোডিয়াম বা পটাশিয়াম অস্বাভাবিক হলে তা-ও কিডনির সমস্যা বা ওষুধের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ডাক্তার সব ফলাফল মিলিয়ে ব্যাখ্যা করবেন এবং প্রস্রাবের টেস্ট বা স্ক্যান করতে বলতে পারেন।

যা যা আছে

এই টেস্টের রিপোর্টে থাকে ৪টি পরিমাপ:

  • ব্লাড ইউরিয়া
  • সিরাম ক্রিয়েটিনিন
  • ইউরিক অ্যাসিড
  • সিরাম ইলেকট্রোলাইট

অনেকে যা জানতে চান

শুধু সিরাম ক্রিয়েটিনিনের সঙ্গে কিডনি ফাংশন টেস্টের পার্থক্য কী?

সিরাম ক্রিয়েটিনিন একটিমাত্র টেস্ট। কিডনি ফাংশন টেস্টে এর সঙ্গে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও ইলেকট্রোলাইট যোগ হয়, ফলে কিডনি কেমন কাজ করছে তার আরও পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়।

কিডনির রোগের শুরুর লক্ষণ কী কী?

শুরুর দিকে কিডনির রোগে প্রায়ই কোনো উপসর্গই থাকে না। এ কারণেই ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কিডনির টেস্ট করাতে বলা হয়।

কিডনির রোগে পটাশিয়াম কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কিডনি শরীর থেকে বাড়তি পটাশিয়াম বের করতে সাহায্য করে। কিডনি ভালো কাজ না করলে পটাশিয়াম জমতে পারে, আর মাত্রা বেশি হলে হৃৎস্পন্দনে প্রভাব পড়তে পারে। কিছু ওষুধও পটাশিয়াম বাড়াতে পারে।

আমার কি প্রস্রাবের টেস্টও লাগবে?

প্রায়ই লাগে। প্রস্রাবে প্রোটিনের টেস্ট, যেমন ইউরিন অ্যালবুমিন-ক্রিয়েটিনিন রেশিও, রক্তের টেস্ট স্বাভাবিক থাকলেও কিডনির শুরুর দিকের ক্ষতি দেখাতে পারে। আপনার কোন কোন টেস্ট দরকার, ডাক্তার জানাবেন।

RFT টেস্ট-এর খরচ কত?

Mukti Health-এ দাম ৳১,৪৪০, আর নমুনা সংগ্রহ করা হয় আপনার বাড়ি থেকে। Mukti Health অ্যাপে বুকিং নিশ্চিত করার আগে দাম আবার দেখতে পাবেন।

বাড়িতে বসে কি RFT টেস্ট করানো যায়?

হ্যাঁ। Mukti Health অ্যাপে বুক করুন; একজন প্রশিক্ষিত নমুনা সংগ্রাহক রক্তের নমুনা নিতে আপনার বাড়িতে আসবেন। আপনাকে ল্যাবে যেতে হবে না।

RFT-এর রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?

সাধারণত নমুনা সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়।