Mukti Health

ল্যাব টেস্ট · ভিটামিন

সিরাম ম্যাগনেসিয়াম

ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা, পেশি ও হার্ট

অন্য নাম: s.Magnesium, Mg, Serum magnesium
  • রক্তের নমুনা
  • খালি পেটে থাকতে হবে না
  • রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে
  • বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ

এই টেস্ট কিসের জন্য

ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা, পেশি ও হার্ট

এই টেস্টে আপনার রক্তের ম্যাগনেসিয়াম মাপা হয়। ম্যাগনেসিয়াম একটি খনিজ, যা পেশি ও স্নায়ুর কাজ, হার্টের স্থির ছন্দ, মজবুত হাড় এবং শরীরের শত শত রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য দরকার। ক্যালসিয়াম বা পটাশিয়াম কম হলে এটি প্রায়ই দেখা হয়, কারণ ম্যাগনেসিয়ামের অভাব থাকলে ওই দুটির মাত্রাও কম থেকে যেতে পারে।

ডাক্তার কেন এটি করাতে বলতে পারেন

  • পেশিতে খিঁচ ধরা, পেশি লাফানো, দুর্বলতা বা কাঁপুনির কারণ খুঁজতে
  • অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের কারণ বুঝতে সাহায্য করতে
  • চিকিৎসার পরও ক্যালসিয়াম বা পটাশিয়াম কম থেকে গেলে
  • কিডনির রোগ, দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করতে
  • ম্যাগনেসিয়াম কমাতে পারে এমন ওষুধের প্রভাব দেখতে, যেমন প্রস্রাব বাড়ানোর কিছু ওষুধ ও দীর্ঘদিন খাওয়া অ্যাসিড কমানোর ট্যাবলেট

কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন

খালি পেটে: লাগবে না.

খালি পেটে থাকার দরকার নেই; স্বাভাবিকভাবে খাওয়াদাওয়া করুন। ডাক্তার অন্য কিছু না বললে নিয়মিত ওষুধ খান, আর ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট অথবা ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড বা পায়খানা নরম করার ওষুধ (ল্যাক্সেটিভ) ব্যবহার করলে ডাক্তারকে জানান, কারণ এগুলো মাত্রা বাড়াতে পারে।

বাড়িতে

নমুনা
রক্তের নমুনা
যেভাবে কাজ করে
যে সংগ্রাহক আপনার বাড়িতে আসেন, তিনি হাতের শিরা থেকে অল্প রক্তের নমুনা নেন। রক্ত নেওয়ার সময় হাত ঢিলা রাখার চেষ্টা করুন; মাত্র কয়েক মিনিট লাগে, আর ল্যাবে নিয়ে যাওয়ার আগে টিউবে লেবেল লাগানো হয়।
রিপোর্ট
২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে (নমুনা সংগ্রহের পর).

ফলাফলের মানে কী হতে পারে

রিপোর্টে আপনার ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রার সঙ্গে ল্যাবের স্বাভাবিক সীমা থাকে। মাত্রা কম হওয়ার সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে কম খাওয়া, ডায়রিয়া, অ্যালকোহল পান, ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে না থাকা ডায়াবেটিস বা কিছু ওষুধের; আর মাত্রা বেশি হওয়া তুলনামূলক কম দেখা যায় এবং সাধারণত কিডনির রোগ বা ওষুধ থেকে অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়ামের কারণে হয়। বেশির ভাগ ম্যাগনেসিয়াম কোষের ভেতরে ও হাড়ে জমা থাকে, তাই রক্তের মাত্রা সব সময় শরীরের মোট মজুত দেখায় না। ডাক্তার আপনার উপসর্গ ও অন্য ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে ফলাফলটি বিচার করবেন।

যা যা আছে

একটি টেস্ট: সিরাম ম্যাগনেসিয়াম; রক্তের নমুনা।

অনেকে যা জানতে চান

ম্যাগনেসিয়াম কমে গেলে কী কী উপসর্গ হয়?

ম্যাগনেসিয়াম কম হলে ক্লান্তি, পেশিতে খিঁচ ধরা, পেশি লাফানো বা কাঁপুনি হতে পারে, আর বেশি গুরুতর হলে অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হতে পারে। সামান্য ঘাটতিতে কোনো উপসর্গই না থাকতে পারে।

রক্তের ম্যাগনেসিয়াম স্বাভাবিক হলে কি ঘাটতি নেই বলা যায়?

সব সময় নয়। শরীরের ম্যাগনেসিয়ামের অল্প অংশই রক্তে থাকে, তাই মাত্রা সীমার মধ্যে থাকলেও মজুত কম থাকার সম্ভাবনা পুরোপুরি বাদ দেওয়া যায় না। ডাক্তার আপনার উপসর্গ ও ইতিহাস বিবেচনা করবেন।

কোন কোন ওষুধ ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে?

প্রস্রাব বাড়ানোর কিছু ওষুধ (ডাইইউরেটিক) এবং প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর নামের অ্যাসিড কমানোর ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে ম্যাগনেসিয়াম কমতে পারে, আর ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড ও ল্যাক্সেটিভ তা বাড়াতে পারে। ডাক্তারের সঙ্গে কথা না বলে কোনো ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না।

ম্যাগনেসিয়াম টেস্ট-এর খরচ কত?

Mukti Health-এ দাম ৳৫৫০, আর নমুনা সংগ্রহ করা হয় আপনার বাড়ি থেকে। Mukti Health অ্যাপে বুকিং নিশ্চিত করার আগে দাম আবার দেখতে পাবেন।

বাড়িতে বসে কি ম্যাগনেসিয়াম টেস্ট করানো যায়?

হ্যাঁ। Mukti Health অ্যাপে বুক করুন; একজন প্রশিক্ষিত নমুনা সংগ্রাহক রক্তের নমুনা নিতে আপনার বাড়িতে আসবেন। আপনাকে ল্যাবে যেতে হবে না।

ম্যাগনেসিয়াম-এর রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?

সাধারণত নমুনা সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়।