Mukti Health

ল্যাব টেস্ট · কিডনি

সিরাম ইলেকট্রোলাইট

শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য

অন্য নাম: S. electrolytes, Electrolytes, Na K Cl
  • রক্তের নমুনা
  • খালি পেটে থাকতে হবে না
  • রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে
  • বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ

এই টেস্ট কিসের জন্য

শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য

এই টেস্টে আপনার রক্তের সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড ও বাইকার্বোনেট মাপা হয়। এই ইলেকট্রোলাইটগুলো বৈদ্যুতিক চার্জ বহনকারী লবণ, যা শরীরে পানির ভারসাম্য, স্নায়ু ও পেশির কাজ, হৃৎস্পন্দন এবং রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিডনি এগুলোকে খুব সীমিত একটি পরিসরের মধ্যে রাখে, তাই মাত্রা অস্বাভাবিক হলে তা পানিশূন্যতা, কিডনির সমস্যা বা ওষুধের প্রভাবের ইঙ্গিত হতে পারে।

ডাক্তার কেন এটি করাতে বলতে পারেন

  • বমি, ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতার সময়
  • দুর্বল লাগলে বা বিভ্রান্তি দেখা দিলে, অথবা পেশিতে টান ধরলে বা হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হলে
  • যাঁরা প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ (ডাইইউরেটিক) বা ব্লাড প্রেশারের কিছু ওষুধ খান, তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখতে
  • কিডনির রোগ, হার্ট ফেইলিওর বা হরমোনের সমস্যায়

কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন

খালি পেটে: লাগবে না.

স্বাভাবিকভাবেই খাওয়াদাওয়া করুন; খালি পেটে থাকার দরকার নেই। ডাক্তার অন্য কিছু না বললে নিয়মিত ওষুধ খেতে থাকুন, আর প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেলে ডাক্তারকে জানান। রক্ত নেওয়ার সময় হাত শিথিল রাখুন, কারণ জোরে মুঠ করলে পটাশিয়াম ভুলভাবে বেশি দেখাতে পারে।

বাড়িতে

নমুনা
রক্তের নমুনা
যেভাবে কাজ করে
সংগ্রাহক আপনার বাড়িতে এসে কয়েক মিনিটে হাতের শিরা থেকে অল্প রক্ত নেন। নমুনাটি সাবধানে নাড়াচাড়া করা হয়, কারণ ঝাঁকুনি লাগলে লোহিত রক্তকণিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পটাশিয়ামের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্ট
২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে (নমুনা সংগ্রহের পর).

ফলাফলের মানে কী হতে পারে

রিপোর্টে প্রতিটি ইলেকট্রোলাইটের পাশে ল্যাবের স্বাভাবিক সীমা থাকে। বমি, ডায়রিয়া, কিছু ওষুধ বা হরমোনের সমস্যায় সোডিয়াম কমে যেতে পারে, আর পটাশিয়াম খুব বেশি বা খুব কম হলে হার্ট ও পেশির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বাইকার্বোনেট থেকে শরীরের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ডাক্তার সব ফলাফল একসঙ্গে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করবেন, আর কিছু অস্বাভাবিক মানের ক্ষেত্রে দ্রুত আবার টেস্ট করতে হতে পারে।

যা যা আছে

এই টেস্টের রিপোর্টে থাকে ৪টি পরিমাপ:

  • সিরাম সোডিয়াম (Na)
  • সিরাম পটাশিয়াম (K)
  • সিরাম ক্লোরাইড
  • বাইকার্বনেট (TCO2)

অনেকে যা জানতে চান

পটাশিয়াম এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

পটাশিয়াম স্নায়ু ও পেশিকে কাজ করতে সাহায্য করে, হার্টের পেশিকেও। মাত্রা খুব বেশি বা খুব কম হলে হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হতে পারে, তাই পটাশিয়াম অস্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

ডায়রিয়ায় কি ইলেকট্রোলাইট কমে যেতে পারে?

হ্যাঁ। ডায়রিয়া ও বমিতে শরীর থেকে পানি, সোডিয়াম ও পটাশিয়াম বেরিয়ে যায়। খাবার স্যালাইন (ORS) এই ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে, তবে গুরুতর বা দীর্ঘ সময় ধরে চললে চিকিৎসা নিতে হয়।

সোডিয়াম কম হওয়ার মানে কী?

সোডিয়াম কম হওয়ার (হাইপোন্যাট্রিমিয়া) কারণ হতে পারে বমি, ডায়রিয়া, খুব বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া, প্রস্রাব বাড়ানোর কিছু ওষুধ এবং হার্ট, লিভার বা কিডনির রোগ। ডাক্তার কারণটি খুঁজে দেখবেন।

ইলেকট্রোলাইট টেস্ট-এর খরচ কত?

Mukti Health-এ দাম ৳৪০০, আর নমুনা সংগ্রহ করা হয় আপনার বাড়ি থেকে। Mukti Health অ্যাপে বুকিং নিশ্চিত করার আগে দাম আবার দেখতে পাবেন।

বাড়িতে বসে কি ইলেকট্রোলাইট টেস্ট করানো যায়?

হ্যাঁ। Mukti Health অ্যাপে বুক করুন; একজন প্রশিক্ষিত নমুনা সংগ্রাহক রক্তের নমুনা নিতে আপনার বাড়িতে আসবেন। আপনাকে ল্যাবে যেতে হবে না।

ইলেকট্রোলাইট-এর রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?

সাধারণত নমুনা সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়।